Posts

Showing posts from May, 2026

অসুবিধায় পড়লে আল্লাহর কাছে ছুটে যাও

  ইসহাক ইবনু আব্বাদ আল-বাসরী বলেন, ‘এক রাতে আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। স্বপ্নে দেখি কেউ একজন এসে আমাকে বলছে, ‘অভাবিকে সাহায্য করো।’ আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। আমি ঘরের লোকদের জিজ্ঞেস করলাম, ‘আমাদের প্রতিবেশীদের কেউ কী অভাবে আছে?’ তারা বলল, ‘না এমন কারো কথা তো জানি না।’ আমি তখন ঘুমিয়ে পড়লাম। আবার স্বপ্নে দেখলাম আমাকে একজন এসে বলছে, ‘তুমি অভাবীকে সাহায্য না করে এখনো ঘুমাচ্ছ?’ এটা শুনে আবার আমার ঘুম ভেঙে গেল। স্বপ্নটাকে অহেতুক মনে করে ফের ঘুমিয়ে পড়লাম। তৃতীয়বারও একই স্বপ্ন দেখলাম। এবার আমি বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লাম এবং আমার ভৃত্যকে বললাম, ‘গাধার পিঠে গদি চড়াও।’ এরপর আমি নিজের সাথে তিনশ রৌপ্যমুদ্রা নিয়ে গাধার উপর চড়ে বসলাম এবং লাগাম ছেড়ে দিলাম। গাধাটি নিজের মত চলতে লাগল। সে জামে মসজিদ পার হয়ে সামনের একটি খোলা ময়দানে গিয়ে পৌঁছল। তারপর কবরস্থানের পথ ধরে ডান দিকের একটা খালি জায়গায় গিয়ে পৌঁছল। সেখানে সাধারণত জানাজার নামাজ পড়া হয়ে থাকে। গাধাটা সেখানে পৌঁছে থেমে গেল। তাকিয়ে দেখি ওখানে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নামায আদায় করছে। আমার আগমন টের পেয়ে সে পিছনে ফিরলো। আমি তার কাছাকাছি হয়ে জিজ্ঞেস করলা...

মিনার তাবু থেকে একটি জীবন্ত উপলব্ধি

  মিনার তাবু থেকে একটি জীবন্ত উপলব্ধি নিজেকে অনেক ধিক্কার দিচ্ছিলেন বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য ডাক্তার (সরাকারি মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন। পবিত্র মিনার তাবু। চারদিকে লাখো লাখো আল্লাহর মেহমানের লাব্বাইক ধ্বনি। হজের এই ক্লান্তিকর কিন্তু আত্মিক প্রশান্তির সফরে আমার ডান পাশে বসে আছেন বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত স্বনামধন্য ও সদ্য রিটায়ার্ড সরকারি মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল। পেশাগত জীবনে যিনি হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন, ব্যস্ততম সময় পার করেছেন মানবসেবায়। আরা বাম পাশের বিছানায় ৭২ বছর বয়সী এক আংকেল। হঠাৎ করেই দেখি ডাক্তার সাহেবের চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। নিজেকে নিজে ধিক্কার দিয়ে, ভীষণ অনুতপ্ত হয়ে তিনি বলছিলেন— "আমার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আরও আগে কেন হজে আসলাম না!" গতকাল আমাদের হজের অন্যতম প্রধান কাজ ছিল মুজদালিফা থেকে হেঁটে জামারাতে এসে বড় শয়তানকে প্রতীকী পাথর মারা। আমার ঘড়ির হিসেবে প্রায় ১৫ কিলোমিটারের দীর্ঘ পথ। ৪৪ বছর বয়সী একজন সুস্থ, সুঠাম দেহের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও আমার আর আমার স্ত্রীর (লুবনা) পা দুটো যখন আর চলছিল না, যখন মনে হচ্ছিল একটু বসতে পারলে পরম শান্তি পেতাম— তখন...

নবিজির প্রতি ভালোবাসার তীব্রতা

Image
নবিজির প্রতি ভালোবাসার তীব্রতা এবং সেই ভালোবাসার প্রতি উম্মাহর শ্রদ্ধা ও প্রতিশ্রুতি! এই তিনের সমন্বয়ে গত চৌদ্দশত বছরে একদিনও বন্ধ হয়নি এ দরজা! আপনি যখন প্রাণপ্রিয় নবিজিকে দুরুদুরু বুকে বাবুস সালাম দিয়ে সালাম দিতে ঢুকবেন এবং ধীরস্থির পায়ে এগুতে এগুতে ঠিক রওযার সামনে দাঁড়াবেন, অনুভব করুন আপনি আম্মাজান হাফসা রা. এর ঘরের ওপর দাঁড়িয়ে। যে জায়গাটিতে নবিজি শুয়ে আছেন, সেটি আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার ঘর আর যে জায়গায় আপনি দাঁড়িয়ে, তা আম্মাজান হাফসা রা. এর ঘর ছিল৷ দুই ঘর এত কাছাকাক্সহি ছিল যে, দুই আম্মাজান নিজ নিজ ঘরে থেকে পরষ্পর গল্প করতেন। দুই ঘরের মাঝে ব্যবধান ছিল একটি সংকীর্ণ গলিপথ। একটা বার ভাবুন তো! আপনি নবিজির ঘরে এসে নবিজিকে সালাম দিচ্ছেন! এবার এই দরজার গল্পে ফিরে আসি। খলিফা উমার রা.এর সময় মসজিদ সম্প্রসারিত করার প্রয়োজন হল। তিনি তার মেয়ে হাফসাকে বললেন, 'মা! তোমার ঘরটা ছেড়ে দাও। এটা মসজিদের অন্তর্ভূক্ত করব।' প্রাণপ্রিয় স্বামী ও নবিজির ঘর থেকে এবং তাঁর মসজিদ থেকে দূরে সরে যেতে আম্মাজানের মন সাড়া দিল না। তিনি তাই আমীরুল মুমিনীনকে বিনয়ের সাথে বললেন, আমার মসজিদের আসার পথ কী হবে? খলীফা...

উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার পরিক্ষিত আমল

Image
উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার পরিক্ষিত আমল কল্যাণকর বিয়ের জন্য যেসব আমল করবেন— ১। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন। কুরআন খতম দিন। এই উসিলায় বিয়ের জন্য দু'আ তো করবেনই, সাথে একটা বোতলে পানি রেখে কুরআন তিলাওয়াতের মাঝে মাঝে ফুঁ দিয়ে রাখতে পারেন। যেকোনো সময় ঐ পানিটা খেয়ে নিতে পারেন ইংশাআল্লহ। আর সেই পানিটা একটু বালতির পানির সাথে মিক্স করে গোসল করতে পারেন, চেহারাও ধুয়ে নিতে পারেন ইংশাআল্লহ। বিয়ে না হওয়া বা ভাঙ্গার কারণের মাঝে যদি জ্বীন, যাদু, বদনজর–এই সম্পর্কিত কিছু থেকে থাকে, তাহলে অনেক কাজে দিবে এটা। আপনার জন্য এটা রুকইয়াহ হিসেবে কাজ করবে।কারণ, আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা সমস্ত কুরআন জুড়েই আমাদের জন্য শেফা রেখেছেন। আল্লহ (ﷻ) বলেন– “আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত।”(সূরা ইসরা; আয়াত : ৮২) সব বিয়ে ভাঙা বা বিলম্ব জ্বীন–যাদুর কারণে নয়। অনেক সময় কদর, সামঞ্জস্য না হওয়া, অথবা আল্লাহর পক্ষ থেকে উত্তম কিছু সংরক্ষিত থাকার কারণেও বিলম্ব হয়। তাই আমলের সাথে সাথে সঠিক অনুসন্ধান ও ইস্তিখারাও জরুরি। ২। জমজমের পানি খেয়ে দু'আ করবেন। দু'আ কবুলের সময় গুলোতে জমজমের...

দোয়া

  ৩ টি পদ্ধতিতে দু‘আ করা যায়। আজ আমরা সেগুলো দলিলসহ জানবো, ইনশাআল্লাহ। কোনো আল্লাহওয়ালা ব্যক্তির কাছে দু‘আ চাওয়া বৈধ কি না, সেটিও জানবো। ❖ দু‘আ বলতে আসলে কী বুঝায়? আরবি দু‘আ শব্দটির অর্থ হলো ডাকা, আহ্বান করা, প্রার্থনা করা ইত্যাদি। পরিভাষায় কারও কাছে কোনো কিছু চাওয়া বা প্রার্থনা করাকে দু‘আ বলে। ❖ দু‘আ করার পদ্ধতি: দু‘আ কয়েকভাবে করা যায়। ১) কেবল মনে মনে কোনোকিছু কামনা করা। যেমন: আমরা কুরআনে পাই, যখন বাইতুল মাকদিস মুসলিমদের কিবলা ছিলো, তখন নবিজি বারবার আকাশের দিকে তাকাতেন আর মনে মনে খুব চাইতেন, যেন কা’বাকে কিবলা নির্ধারণ করা হয়। আল্লাহ বলেন— قَدۡ نَرٰی تَقَلُّبَ وَجۡهِکَ فِی السَّمَآءِ ۚ فَلَنُوَلِّیَنَّکَ قِبۡلَۃً تَرۡضٰهَا ۪ فَوَلِّ وَجۡهَکَ شَطۡرَ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ ؕ وَ حَیۡثُ مَا کُنۡتُمۡ فَوَلُّوۡا وُجُوۡهَکُمۡ شَطۡرَهٗ ؕ ‘‘অবশ্যই আমরা আকাশের দিকে আপনার বারবার তাকানো লক্ষ্য করছি। সুতরাং অবশ্যই আমরা আপনাকে এমন কিবলার দিকে ফিরিয়ে দেবো, যা আপনি পছন্দ করেন। অতএব, আপনি মাসজিদুল হারামের দিকে চেহারা ফিরান। আর, তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, তোমাদের চেহারাগুলোকে এর দিকে ফেরাও।’’ [সুর...

রাসুল (সাঃ) রাওজা জিয়ারতের ক্ষেত্রে করনীয় ও বর্জনীয়

 "আমার ঘর এবং মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান।"—রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর এই বাণীই প্রমাণ করে রাউদা শরিফের মহিমান্বিত মর্যাদা। এই পবিত্র জান্নাতের বাগানে দাঁড়িয়ে একজন মুমিনের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে রাউদা জিয়ারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।:- ✔️ রাউদা জিয়ারতের করণীয় দিকসমূহ (যা করবেন) রাউদা শরিফ জিয়ারতের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন এবং সুন্নাহর অনুসরণ। ১. নিয়ত খাঁটি করা: শুধু আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর রওজা জিয়ারত ও মসজিদে নববীতে সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা। ২. নম্রতা ও গাম্ভীর্য বজায় রাখা: অত্যন্ত বিনয়, নম্রতা এবং অন্তরে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা নিয়ে মসজিদে নববীতে প্রবেশ করা।  ৩. রিয়াজুল জান্নাহ-এ সালাত আদায়: রাউজাতে মূল অংশ (যা রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর হুজরা মোবারক থেকে তাঁর মিম্বার পর্যন্ত বিস্তৃত) সম্পর্কে রাসুল ﷺ বলেছেন:    > "আমার ঘর এবং আমার মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বা...

মসজিদুল হারামের ভিতরের বাব উম্মে হানি

Image
এটি হলো মসজিদুল হারামের ভিতরের বাব উম্মে হানি  (গেট ৮৭) অনেক হাজী ও উমরাহ পালনকারী এই গেটের পাশ দিয়ে চলে যান, কিন্তু এর নামের সাথে জড়িত ইতিহাস সম্পর্কে জানেন না। এই গেটের নাম রাখা হয়েছে সাইয়্যিদাহ উম্মে হানি رضي الله عنها-এর নামে — যিনি ছিলেন আবু তালিবের কন্যা এবং সাইয়্যিদুনা আলী رضي الله عنه-এর বোন। কিছু বর্ণনায় উল্লেখ আছে, সাইয়্যিদাহ খাদিজাহ رضي الله عنها-এর ইন্তিকালের পর রাসূলুল্লাহ ﷺ উম্মে হানির বাড়িতে অবস্থান করেছিলেন। এবং এক রাতে, যখন নবী ﷺ সেখানে বিশ্রামে ছিলেন, তখনই জিবরীল عليه السلام এসে ইসরা ও মি’রাজের সফরের সূচনার পূর্বে তাঁকে নিয়ে যান  তবে এই গেটটিকেই উম্মে হানির বাড়ির সঠিক স্থান হিসেবে জানা যায় না। বরং অনেক হাজী এবং কিছু বর্ণনা অনুযায়ী গোলাপি রঙের স্তম্ভের এলাকাকে উম্মে হানির বাড়ির অবস্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। وَاللهُ أَعْلَمُ  

হারিয়ে যাবার গল্প

আমরা ওমরাহ সফরের যাবার আগে থেকে শুনে এসেছি মক্কা মদিনাতে কেউ হারায় না, সাথী হারা হয়। আমাদের সফরে গিয়েও আমরা কয়েকবার প্রত্যক্ষভাবে এই অভিজ্ঞতা মুখোমুখি হলাম। ➤ প্রথমে মুয়াল্লিমকে হারিয়ে ফেললাম। ➤ এরপর মাতাফ থেকে মা, খালা, স্ত্রী, মেয়ে সহ বাকী সবাইকে হারিয়ে ফেললাম। আল্লাহর অশেষ কুদরতে, এই হারিয়ে ফেলা অবস্থায় এক আল্লাহ'র উপর তাওয়াক্কুল করে ওমরাহ শুরু করে প্রথম তাওয়াফ শেষ করতেই আবার তাদেরকে ফিরে পেয়েছি। ➤ এরপর সাফা ও মারওয়া সাই করতে গিয়ে সবুজ লাইটের এখানে দৌড় দিতে গিয়ে ১ম সাই করার সময়ই আমার খালুকে হারিয়ে ফেললাম। ➤ খালুকে খুঁজতে গিয়ে মাগরিবের পরে আমার স্ত্রীকে কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে ফেলেছিলাম। ➤ সবশেষে সন্ধ্যার পর গিয়ে পেলাম তাও হারাম শরীফ থেকে অনেক দূরে এক বাঙালি দোকান তাকে আশ্রয় দেয় এবং সেখান থেকে বাংলাদেশে ফোন করে জানানোর পরে তাকে খুঁজে পাই, আলহামদুলিল্লাহ। আসলেই মক্কা মদীনাতে কেউ হারায় না, সাথী হারা হয় মাত্র! আর এখানে সবাই এত হেল্পফুল, যেন সবাই সবাইকে সাহায্য করার জন্য অপেক্ষা আছে, শুধু বিপদে পড়ে কাউকে বলতে হবে- আমার সাহায্য দরকার! তবে আমার মনে হয় কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখলে হ...

হজ্ব ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা

  ১. আলাপ শুরু করার ভঙ্গি প্রথমে সম্পর্ক তৈরি করুন, সরাসরি ব্যবসায় ঢুকবেন না। আপনি এভাবে শুরু করতে পারেন: “আপনার কাজ সম্পর্কে অনেক ভালো কথা শুনেছি, বিশেষ করে হজ্ব ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে। তাই একটু বুঝতে চাচ্ছিলাম আপনি কীভাবে কাজটা পরিচালনা করেন।” “আমরা আসলে এই সেক্টরটা শিখতে চাই, আপনি যেহেতু কাজ করছেন, আপনার কাছ থেকে সরাসরি জানা গেলে ভালো হয়।” ২. প্রথম ধাপের প্রশ্ন (বোঝার জন্য) এই অংশে শুধুই তথ্য সংগ্রহ করবেন। আপনি কীভাবে শুরু করেছিলেন? আপনার মূল কাজটা কী? (এজেন্ট, সাব-এজেন্ট, না সরাসরি লাইসেন্সধারী?) গ্রাহক কোথা থেকে আসে? বছরে কয়টা গ্রুপ হ্যান্ডেল করেন? ৩. ব্যবসার কাঠামো বুঝুন এই অংশটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কি নিজের লাইসেন্সে কাজ করেন, না কারো আন্ডারে? সৌদি আরবের সাথে আপনার সরাসরি কোনো এজেন্সি কানেকশন আছে? ভিসা প্রসেস কে করে? এয়ার টিকিট, হোটেল বুকিং, ট্রান্সপোর্ট কে ম্যানেজ করে? এখানে বুঝবেন তিনি আসলে কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করছেন। ৪. খরচ ও লাভের বাস্তব চিত্র এখানে সতর্কভাবে ঢুকবেন। একটি প্যাকেজের মোট খরচ কত পড়ে? আপনার মার্জিন সাধারণত কত থাকে? সিজন অনুযায়ী লাভ কমে বা বাড়ে কি? কোনো ...